How to learn Modified Kp Astrology
সংশোধিত কৃষ্ণমূর্তি পদ্ধতি
(Modified KP Astrology Rullings)
Lesson 4
রাশিচক্রে দ্বাদশ ভাবের কারকতা
রাশিচক্রে লগ্নভাবের গুরুত্ব
জাতচক্র বিচারের ক্ষেত্রে প্রথম ঘরটি হলো লগ্ন l লগ্ন জাতকের ইহজন্মের পৃথিবীতে আবির্ভাবের দ্বারবিন্দু রূপে কল্পিত l Astronomy অনুসারে জন্মসময়ে জন্মগ্রহণ স্বাপেক্ষে যে গাণিতিক বিন্দুটি রবিমার্গের পূর্বদিগন্তে উদিত হয় সেই বিন্দুটিই লগ্নবিন্দু রূপে পরিগণিত হয় l প্রাচীন ভারতীয় দর্শন অনুসারে পূর্বজন্মের কর্মফল অনুসারে পার্থিব জগতে আবির্ভূত হয়ে কর্মফল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অর্থাৎ আত্মোন্নতি বা ঈশ্বর উপলব্ধির উদ্দেশ্যে, বিধাতা পুরুষের লিখন অনুসারে বিভিন্ন ধরণের ঘাত-প্রতিঘাত স্বরুপ ঘটনাবলীর ছন্দ অনুসারে জাতক আবির্ভুত হয় l জগতের সকলেই যদি একই সময়ে ব্রহ্মমুখী চিন্তাধারায় আগ্রহী হয় তবে ঈশ্বরের লীলার কোনও প্রয়োজন থাকবে না অর্থাৎ হাসি-কান্না-প্রাপ্তি-সাফল্য-ব্যার্থতা কিছুই থাকবে না, সম্ভবত এই কারণেই প্রতিটি ব্যাক্তি জীবনে আলাদা আলাদা ভাগ্যস্বরূপ ঘটনাবলী ভোগ করে l আর জোতিষ শাস্ত্রে এই ভাগ্যগণনার প্রধান মাধ্যমগুলি হলো রাশি, গ্রহ, ভাবও নক্ষত্র l এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো ভাব বা বিষয় l জ্যোতিষে লগ্ন থেকে শুরু করে মোট 12টি ভাব রয়েছে, ভাবগুলি জাতকের সারাজীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলীর নির্দেশক l ভাবগুলিকে কেন্দ্র করেই প্রধানত জোতিষশাস্ত্রে ফলাদেশ করা হয় l যেহেতু দ্রুত পরিবর্তনশীল ভাবগুলি ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায় সেহেতু লগ্ন স্বাপেক্ষে দ্বাদশ ভাববিভাজন এত গুরুত্বপূর্ণ l এছাড়া লগ্ন স্বাপেক্ষে দ্বাদশ ভাবের প্রতিটি ভাববিন্দু জন্মমুহূর্তে fixed কারণ বিগত জন্মের কর্মফল স্বরূপ বর্তমান জীবনের ভাগ্য, যা পূর্বনির্ধারিত এবং বিশেষ মুহূর্তের প্রতিচ্ছবি স্বরূপ l গ্রহ, নক্ষত্র, ভাব হলো ভাগ্যের প্রতিনিধি l জাতকের জন্মমুহূর্তের লগ্ন নির্ণয় করার কারণ --- ঐ বিশেষ মুহূর্তে কোনও জাতকের জীবনের নির্দিষ্ট ঘটনাবলী যা গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব বা time of space function অনুসারে তৈরি হয় এবং এই একই কারণে প্রশ্ন জ্যোতিষ বা Horary Astrology তে time of space function এর উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয় l প্রশ্ন জ্যোতিষে কোনও একটি বিশেষ সময়ে কোনও ব্যাক্তির মনে যে প্রশ্নের উদয় হয় বা অবচেতন স্বত্তায় ঘটনাবলীর যে স্পন্দন থাকে, সেই মুহূর্তের গ্রহ-নক্ষত্র-ভাব যা জ্যোতিষে মহাজাগতিক শক্তির প্রতিনিধি অর্থাৎ space function স্বাপেক্ষেই জাতকের প্রশ্নছক অঙ্কন করা হয় l
লগ্ন অর্থাৎ জাতকের অস্তিত্ব, এই অস্তিত্বের পরিণতি বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে l সুতরাং লগ্নই হলো ভাগ্য, সংশোধিত কৃষ্ণমূর্তি পদ্ধতিতে লগ্ন বিন্দুর সাবই হলো genetic code বা ভাগ্যনিয়ন্তা l এই লগ্ন বিন্দুর sublord ই মূল শক্তির ধারক ও বাহক --- যেটি ক্রমান্বয়ে সময়ের সাথে সাথে সংযোগ ও সংস্কার সাধনে পরিবর্তনশীল হতে সমর্থ l এই লগ্নই আনুসাঙ্গিক ও পারস্পরিক ঘটনাবলীর প্রকাশবিন্দু l Genetic code স্বরূপ এই ভাগ্যনিয়ন্তা লগ্ন সংশোধিত কৃষ্ণমূর্তি পদ্ধতিতে বা জ্যোতিষে অত্যন্ত সংবেদনশীল l লগ্নের sublord যদি বলবান হয় তবে অন্যান্য ভাবগুলি যতই প্রতিকূল হোক না কেন জাতক তা অতিক্রম করবে অর্থাৎ সৌভাগ্যের সূচক হবে পক্ষান্তরে লগ্ন দুর্বল হলে অন্যান্য ভাবগুলি যতই শুভ হোক না কেন ভালো ফলের আশা করা করা সম্ভব নয় অর্থাৎ জাতক দুর্ভাগ্য বা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হবে তুল্য- মূল্য সাফল্য কখনোই পাবে না l
জীবনের প্রতিটি ঘটনাবলী সময় স্বাপেক্ষে কিভাবে প্রকাশিত হবে তা লগ্নের শুভাশুভত্বের উপরই নির্ধারিত হয় l
লগ্নভাবের কারকতা
লগ্ন জাতকের পৃথিবীতে আবির্ভাব ও অস্তিত্বকে নির্দেশ করে, সেই কারণে লগ্ন থেকে আয়ু, জীবনীশক্তি, দেহ, শরীরস্বাস্থ, দৈহিক গঠন বৈশিষ্ট ও আকৃতি, গাত্রবর্ণ, আত্মা-মন, মানষিক স্বভাব/অবস্থা, আচার-আচরণ, ব্যবহার, ভাবভঙ্গি, স্বাভাবিক প্রবণতা, চিন্তাশক্তির বৈচিত্র, পার্থিব দৃষ্টিভঙ্গি, প্রচেষ্টা, সৌভাগ্য-দুর্ভাগ্য, সামগ্রিক জীবনের রূপরেখা, সাধারণ অবস্থা বা পরিস্থিতি, সফলতা-বিফলতা, উন্নতি-অবনতি, জীবনের বিবিধ পরিবর্তন অর্থাৎ জীবনধারাকে আরও কতখানি উন্নতি সাধন বা সংস্কার সাধন করা যায় তা লগ্ন নির্দেশ করে l শরীরের অঙ্গ হিসাবে head, brain, চুল, মাথার খুলি, সমস্ত শরীর, skin, কপালও মন নির্দেশ করে l
রাষ্ট্রায়ত্ত জ্যোতিষে লগ্ন থেকে সরকার, দেশ বা স্থান, দেশের জনসাধারণ, স্থানীয় এলাকা ও সামগ্রিক অবস্থা নির্দেশ করে l
প্রশ্ন জ্যোতিষে প্রশ্নকর্তা বা প্রশ্নস্বরূপ ভাগ্য নির্দেশ করে l
জ্যোতিষে লগ্ন নির্দেশ করে মাতৃভূমি বা স্থান, সেই কারণে কোনও জাতকের দেশে না বিদেশে উন্নতি হবে তাও লগ্ন থেকে বিচার্য l
দ্বিতীয় ভাবের কারকতা
দ্বিতীয় ভাব অর্থ ও আর্থিক অবস্থা, অর্থজাত সবকিছু বিচার করা হয়, আর্থিক সঙ্গতি, আর্থিক পরিস্থিতি বা আর্থিক ক্ষমতা এই ঘর থেকে বিচার করা হয় l সম্পদ-সম্পত্তি, গহনা-অলংকার, মূল্যবান ধাতু-রত্ন, মূল্যবান জিনিসপত্র, শেয়ার, বন্ড, প্রমাণপত্র, যে কোনও ধরণের security, বন্ধক, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, পরিবর্তনশীল সম্পত্তি, পরিবারের সদস্যগণ, আত্মীয়স্বজন, চিন্তাশক্তি প্রকাশের ক্ষমতা, মুখগহব্বর, মুখমন্ডল, বাচনভঙ্গি, কথাবার্তার মিষ্টতা-কর্কশতা, দৃষ্টিশক্তি, চক্ষু (ডান চোখ), দাঁত, গাল, ঠোঁট, থুতনি, জিহ্বা ও গলা নির্দেশ করে l এছাড়া ভোগ্যপণ্য, খাদ্য, খাওয়ার অভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, সুগন্ধি দ্রব্য এবং আয়ুর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ভাব মারক স্থান l
তৃতীয় ভাবের কারকতা
তৃতীয় ভাব হতে বিচার্য মানষিক প্রবণতা, মানষিক ঝোক, সামর্থ, মানষিক শক্তি, স্মৃতিশক্তি, ধারণ করার ক্ষমতা, সাহস, বীরত্ব, শক্তি, দৃঢ়তা, কনিষ্ঠ ভ্রাতা-ভগ্নি, প্রতিবেশী, আত্মীয়, movement, পরিবর্তন, স্থানান্তর, রাস্তাঘাট, ভ্রমণ- ছোটোখাটো ভ্রমণ, গতিময়তা, সকলপ্রকার যোগাযোগ মাধ্যম --- টেলিফোন, টেলিগ্রাম, রেডিও, টিভি, telecommunication, যানবাহন, লেখালেখি, পেন-কাগজ, চিঠি, হিসাবনিকাশ, বিবরণ, সংবাদ, প্রচার, সহি, চুক্তি, দরদাম, পাঠাগার প্রভৃতি নির্দেশ করে l শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গ হিসাবে --- মন ও মনের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া, চিন্তা, অস্থিরতা, আগ্রহ, কৌতূহল, নার্ভাস সিস্টেম, হাত, কাঁধ, গলা, গলার নালী, কণ্ঠা, ফুসফুস l
পেশা হিসেবে --- লেখালেখি, চুক্তি ভিত্তিক কাজ, চিঠিপত্র, post and telegraph department, telephone department, ইলেকট্রিক বিভাগ, প্রেস-প্রিন্টিং, প্রকাশনা, প্রবন্ধ রচনা, seals man, এজেন্সি, দালালি, কমিশন ভিত্তিক ব্যবসা, দূত, বার্তাবাহক, পোস্টাল কাজকর্ম, স্টেনো-টাইপিস্ট প্রভৃতি নির্দেশ করে l
চতুর্থ ভাবের কারকতা
চতুর্থ ভাব থেকে বিচার্য বিষয়গুলি হলো --- মাতা, মাতৃস্থানীয়া, মাতৃকুল, সংসার, সাংসারিক অবস্থা, পরিবার, পারিবারিক অবস্থা, গৃহপরিবেশ, লোকালিটি, স্থানীয় পরিবেশ, নিজেস্ব বাড়ি, বসবাসের স্থান, জমিজমা, স্থাবর সম্পত্তি, যে কোনও স্থায়ী প্রতিষ্ঠান, দোকানঘর, নিজেস্ব বাহন, মাঠ, কৃষিক্ষেত্র, গোলাঘর, খামার বাড়ি, বাগান, খনি, জলাশয়, জল, দুধ, সাধারণ শিক্ষা, বিদ্যাজীবন, কারখানা, উৎপাদন, স্কুল-কলেজ, গুপ্তধন, প্রাচীন বস্তু, জনসাধারণ, জীবনের শেষ অবস্থা, যে কোনও কাজের শেষ পরিণতি, মায়া, মমতা, স্নেহ-ভালোবাসা, মাতৃত্ববোধ, সহানুভূতি প্রভৃতি l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ হিসাবে --- বক্ষ, হৃদপিন্ড, ফুসফুস l
পঞ্চম ভাবের কারকতা
পঞ্চম ভাব থেকে বিচার্য মন-মানসিকতা, কল্পনা, সাধারণ মন, শখ-সৌখিনতা, রুচি, সৌন্দর্য বা সুন্দরতা, আরামপ্রিয়তা, অলসতা, আমোদ-প্রমোদ, স্ফূর্তি, হাসিখুশি ভাব , রোমান্টিকতা, প্রেম-ভালোবাসা, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ, আনন্দ-উৎসব, বিলাসিতা, গান-বাজনা, শিল্পকলা, অভিনয়, নৃত্য, অঙ্কন, প্রতিভা, বুদ্ধিমত্তা, অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা, মনের ভাব-মেজাজ, উদ্ভাবনী শক্তি, ঝুঁকিপূর্ণ মানসিকতা, শেয়ার-ফাটকা-জুয়া, লটারি, রেস-ঘোড়দৌড়, খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সুস্বাস্থ, রোগমুক্তি, ঔষধ, চিকিৎসা, নতুন উদ্যোগ, কর্মে অনিশ্চয়তা, লাগাতার কর্ম না করা, সমাজ ও সামাজিক অবস্থা, বিচারবুদ্ধি, বিচক্ষণতা, পূজাআর্চা, পবিত্র ও ধার্মিক কাজকর্ম, দেবদেবী, মন্দির, আনন্দ বা বিনোদনমূলক ক্রিয়াকলাপ, অনিশ্চয়তামূলক ক্রীড়া, speculation, মানষিক বা শারীরিক আনন্দ, শিশুর জন্ম, সন্তান, স্ত্রীসূত্রে ধনলাভ ও অংশীদারি কর্মে সাফল্য প্রভৃতি নির্দেশ করে l
ভাবটি অশুভ ভাব ও গ্রহ দ্বারা সম্পর্কিত হলে জাতক কামুক, লম্পট হতে পারে বা জাতকের অবৈধ আকর্ষণ ও সম্পৰ্ক থাকতে পারে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ হিসাবে --- পেট, মন, স্নায়ু, liver, stomach, অগ্ন্যাশয়, পিত্ত ও জরায়ু l
ষষ্ঠ ভাবের কারকতা
ষষ্ঠ ভাব থেকে বিচার্য অসুস্থতা, রোগ, রোগের প্রকৃতি, রোগের অবস্থা, শত্রুতা, প্রতিযোগিতা, মামলা-মোকদ্দমা, ঋণ, চুরি, পরিশ্রম, শ্রম করার মানসিকতা, লেগেপড়ে থাকা, বাঁধাধরা কাজ, চাকুরী, promotion, শ্রমিক, কর্মচারী, ভাড়াটে, ভাড়া, উদ্বাস্তু, প্রজা, দখলকারী, বিশ্বস্ততা, অপরের জন্যে স্বার্থত্যাগ, গৃহপালিত জীবজন্তু, খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস, বীরত্ত্ব, দুশ্চিন্তা, negetive thinking, বিবাহ বিচ্ছেদ, বিবাহে অসুবিধা, রোগীর চিকিৎসা, সেবা-সুশ্রসার সঙ্গে যুক্ত ব্যাক্তি l
শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ --- নাভি তলদেশ, তলপেট, অন্ত্র, হার্নিয়া, এপেন্ডিসাইটিস l
সপ্তম ভাবের কারকতা
জাতক ব্যাতিত অপর কোনও ব্যাক্তি অর্থাৎ প্রতিপক্ষ নির্দেশ করে l এই ভাব থেকে বিবাহ, ব্যবসা, ব্যাবসার অংশীদার, প্রতিদ্বন্ধী, প্রতিযোগী, সমাজে খোলামেলা ভাবে মেলামেশা, বন্ধু-বান্ধব, সামাজিক বন্ধন, যে কোনও ব্যাক্তি - যার সঙ্গে লেনদেন হয় বা সম্পর্কে উৎসাহ থাকে, স্বামী-স্ত্রী, সমাজে স্বাভাবিক মেলামেশা নির্দেশ করে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ --- মূত্রাশয়, কিডনি, প্রজনন তন্ত্র, female organs, semen প্রভৃতি l
সপ্তম ভাব আয়ুর ক্ষেত্রে মারকস্থান l
অষ্টম ভাবের কারকতা
অষ্টম ভাব হতে জীবনীশক্তি, আয়ু ও মৃত্যুর প্রকৃতি ও কারণ, মৃত্যুর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য বিষয় যেমন উত্তরাধিকার সূত্রে বা উইল সূত্র প্রাপ্ত সম্পত্তি, বীমা, সুদের অর্থ, গোপন আয়, ব্যাক্তিগত গোপন সম্পত্তি, বিনা পরিশ্রমের আয়, চেষ্টা বিনা প্রাপ্তি, উপার্জনহীনতা, বিবাহে প্রাপ্ত পণ বা যৌতুক, অন্যের সহায়তায় লাভ, নিজের দুর্বলতা-বাধা-সংগ্রাম-অপরিপূর্ণতা-দেরি-না হওয়া-আটকে থাকা-রুদ্ধ অবস্থা-বন্ধন-হতাশা-কোনও কিছু থেকে বঞ্চিত হওয়া-দুর্ভাগ্য-দুর্ঘটনা-আকস্মিক বিপদ-আত্মহত্যা-ভুল পদক্ষেপ প্রভৃতি নির্দেশ করে l এছাড়া fatal disease, অপারেশন, রক্তপাত, কাঁটা-ছেড়া, ধারালো অস্ত্রশস্ত্র, আগ্নেয়অস্ত্র, যুদ্ধ, মারামারি, ঝামেলা, কলহ, বিবাদ, খুন, ডাকাতি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, অত্যাচার, উৎপীড়ণ, শোক, নাশকতামূলক কাজকর্ম, মানষিক যন্ত্রনা, অপমান, দুঃখ, বদনাম, কলঙ্ক, অপবিত্রতা, গোপনীয়তা, অবৈধ ক্রিয়াকলাপ, গোপন অভিসন্ধি, সব ধরণের নীচতা ও নোংরামি, অজানা আশঙ্খা, ভয়, ভীতি, কারাবরণ, উন্নতিতে বাধা, দুর্বল পরিস্থিতি, জীবন সংগ্রাম প্রভৃতি নির্দেশ করে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ --- বস্তিপ্রদেশ, গুহ্যস্থান, মূত্র, রক্ত, genetal organs প্রভৃতি l
নবম ভাবের কারকতা
নবম ভাব হতে ধর্ম, ভাগ্য, পিতা, গুরু, গুরুজন, উচ্চশিক্ষা, দূরভ্রমণ, জ্ঞান, দেবদ্বিজে ভক্তি, শ্রদ্ধা, সন্মান, অভিভাবক, শিক্ষাগুরু, শ্রদ্ধাশীল ব্যাক্তি, পুরোহিত, উচ্চাকাঙ্খা, প্রভাব বিস্তার, দর্শন, আইন, রাজনীতি, উচ্চচিন্তা, উচ্চপদ, মন্দির, মসজিদ, গির্জা প্রভৃতি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, আবিষ্কার, গবেষণা মূলক কাজকর্ম, মহোৎকাজ, আদর্শ, ন্যায়-নীতি, বিচার, মানসন্মান, মানবিকতা, উদার মানসিকতা, দেবদেবী, আধ্যাত্মিক প্রবণতা, বিদেশি ব্যাক্তি, দৈবশক্তি, অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা, সৎ সঙ্গ, ধর্মস্থান, মানষিক শুদ্ধতা, আন্তর্জাতিক বিষয়, পূজার্চনা, তীর্থক্ষেত্র প্রভৃতি নির্দেশ করে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ --- রক্তবাহী শিরা-উপশিরা, nerve, উরু l
দশম ভাবের কারকতা
দশম ভাব থেকে কর্ম, জীবিকা, নাম-যশ-খ্যাতি-প্রতিষ্ঠা, আভিজাত্য, status, প্রভুত্ত্ব, মালিকানা, শ্রেষ্টত্ব, কতৃত্ব, মর্যাদা, নিরাপত্তা, প্রভাবশালী ব্যাক্তি, পার্থিব দায়-দায়িত্ব, সামর্থ, পেশা, নিয়োগকর্তা, কতৃপক্ষ, পেশার সঙ্গে সম্পর্কিত সকল বিষয়, পদাধিকার, আদেশ, গুন, ক্ষমতা, উচ্চাকাঙ্খা, আত্মসম্মান, জনপ্রিয়তা, সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যাক্তি, নিয়োগ কর্তা, সরকার, প্রভু প্রভৃতি নির্দেশ করে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ --- হাটু, শরীরের হাড় ও মাংস l
একাদশ ভাবের কারকতা
এই ভাব হতে আয়, লাভ, অর্জিত সম্পদ, প্রাপ্তি, ইচ্ছাপূরণ, অভীষ্টসিদ্ধি, সাফল্য, উন্নতি, রোগমুক্তি, সুস্বাস্থ, সুচিকিৎসা, যে কোনও বন্দিদশা থেকে মুক্তি নির্দেশ করে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ --- হাঁটুর পর থেকে পায়ের অংশ l
এটি চর লগ্নের বাধক স্থান l
দ্বাদশ ভাবের কারকতা
এই ভাব হতে ব্যায়, অসাফল্য, বিচ্ছেদ, বিদেশ যাত্রা, শেষ শয্যা, ক্ষতি, স্থানান্তর, লগ্নি, নিঃসঙ্গ থাকা, হাসপাতাল, ভীতি, হাজতবাস, গুপ্ত শত্রুতা, ষড়যন্ত্র, ত্যাগ করা, পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যাওয়া, প্রবাস জীবন, নার্সিং হোম, মানষিক হাসপাতাল, নীরবে কষ্টভোগ, আত্মৎসর্গ, স্বীয় বন্ধনমুক্তি, মন সংক্রান্ত গবেষণা, আত্মার সাক্ষাৎ প্রভৃতি নির্দেশ করে l
শারীরিক অঙ্গপ্রতঙ্গ --- পায়ের পাতা ও পদদ্বয় l
This is one of the stage of how to learn Vedic and Modified KP Astrology.
If you want to know more about Astrology lesson ---
Please comments and to get early notifications --- follow and share this article.